
কুমারী ফুলের রং বেরং- এর
পাপড়ী মেলে পথে
ঘাস ফরিং এর অলস উড়াউড়ি
পাহার কাটা পথে
বাঁশঝাড়ের নির্জনতায়
জানা অজানা পাখির ডাক
এমন থমকে দেয়া সে র্নিজনতা যা
ধমনীতে বয়ে যাওয়া ভালবাসার শব্দ শুনিয়ে যায়
পড়ন্ত সকালের অনন্ত আলস্যে
প্রকৃতি একাকীত্ব আর মগ্নতার গান শোনায়
কিছু মেঘ লুকোচুরি খেলে ষায় সূর্যকে ঘিরে
তুমি আর আমি আমরা দেখে যাই এইসব সবুজ মুগ্ধতার আঁকাআঁকি
খুলে যাই রহস্যের চাদর
একের পর এক
যেন কোন কিছুই থাকেনা অজানা
থাকেনা স্পর্শের বাইরে
সবুজ শীতল পাহাড় তলে
হাতে হাত রেখে হাটাহাটি
দু একটা টুকিটাকি কথা
তার চেয়ে অনেক বেশী আমাদের সময় কেড়ে নেওয়া র্নিজন মুগ্ধতার বি্ষ্ময়
আমি আকন্ঠ পান করি
সুখের নামে দেওয়া তোমার ছোঁয়া
কুমারী ফুল, সবুজ বাঁশঝাড়, ঘাস ফড়িং – আর
পড়ন্ত সকাল সাক্ষী রাখা সেই র্নিজন অনুভব আমি ধরে রাখি বুকে – লালন করি
সেই পড়ন্ত সকাল আজ আর কুমারী ফুল, সবুজ বাঁশঝাড় আর ঘাস ফড়িং-এর স্মরণ নেই
যা আমার স্মৃতি হাতরে খুঁজতে হবেনা কোনদিনও
আমাকে স্মরণ দাও
আমাকে স্মরণ দাও – বলে কাঁদবোনা পাহারের কাছে
পড়ন্ত সকালের সেই র্নিজনতায় তুমি দিয়েছিলে আমায়
সুখের লুকোচুরি খেলায় মগ্ন থাকার প্রথম আবগে